জিএমবি আকাশজি.এম.বি.আকাশ, দেশে এবং বিদেশে পরিচিত মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট, ডকুমেন্টারি ফটোগ্রাফার হিসেবে। এ পর্যন্ত ১০০টিরও বেশি দেশে তার ছবি প্রদর্শিত হয়েছে, জিতেছেন প্রায় ১০০ আন্তর্জাতিক পুরস্কার। তিনি ছবিতে শুধু সামাজিক সমস্যার চিত্রই তুলে ধরেন না, বিভিন্ন ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা থেকে প্রাপ্ত সম্মানীর একটা অংশের টাকা দিয়ে “সারভাইভার্স” প্রোজেক্টের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৫০০  সুবিধাবঞ্চিত শিশুকে শিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে পড়াশোনার সুযোগ করে দিয়েছেন। ২৪ টি পরিবারকে ছোট ছোট ব্যবসায় দাড় করিয়ে দিয়েছেন। আর এটিই হচ্ছে “”Do more”।  

“জিএমবি আকাশ” এসেছিল অপেরা লাইভে, তার সাথে অপেরার আড্ডার কিছু কথা তুলে ধরা হল এখানে।

ময়মনসিংহ জেলা স্কুলের এক বালকের আজকের এই বিখ্যাত ফটোগ্রাফার জিএমবি আকাশ হয়ে উঠা,  জার্নিটা একটু বলবেন কি ?
জিএমবি আকাশঃ আমার বাবা সরকারি চাকরি করত। বাবা ট্র্যাভেল করতে খুব পছন্দ করত আর আমিও ছোট বেলা থেকেই বাবার সাথে অনেক ট্র্যাভেল করেছি। ওভাবেই বাবার কাছ থেকেই ট্রাভেলিং এর নেশাটা আমার মাঝেও চলে আসে। ক্লাস নাইন থেকে এইচ.এস.সি পর্যন্ত আমি ময়মনসিংহে পড়াশোনা করেছি, এর পর নারায়ণগঞ্জ চলে এসেছি। অল্প কিছু টাকা জমলেই আমি সুযোগ বুঝে ছবি তুলতে বিভিন্ন জায়গা ট্রাভেল করতাম। আর ছবি তুলতে গিয়ে আমি বিভিন্ন জায়গায় ট্রাভেল করেছি, অনেক মানুষের সাথে আমি মিশেছি, কথা বলেছি। আমি খুব ভাগ্যবান যে আমি একজন ফটোগ্রাফার হতে পেরেছি তানাহলে হয়ত অনেক জায়গায় আমার যাওয়া হত না, অনেক মানুষের সাথে মেশা হত না, অনেক কিছু জানা হত না।


আপনার ছবিগুলো দেখার আগ্রহ এমনিতেই অনেক বেশি থাকে, আবার আপনার প্রত্যেকটা ছবির সঙ্গে গল্পের মত কিছু লেখাও থাকে  যা আমাদের মন ছুয়ে যায়, ছবিগুলো দেখার ইচ্ছেও আরও বেড়ে যায়। এর পেছনের গল্পগুলো কি?

জিএমবি আকাশঃ আমি ফটোগ্রাফি করছি প্রায় ২০ বছর ধরে। প্রথম থেকেই মানুষের মুখের ছবি তোলার আমার খুব আগ্রহ ছিল। আশেপাশে অনেক সাধারণ মানুষ আছে যাদের হয়ত ওভাবে আমরা খেয়াল করি না কিন্তু তাদেরও জীবনের কিছু গল্প থাকে। সেগুলো জানার জন্য তাদের সাথে অনেক সময় কাটিয়েছি, মিশেছি, কথা বলেছি, আর জানার চেষ্টা করেছি। কেননা যতক্ষণ না আপনি তাদের আস্থা অর্জন না করতে পারছেন তারা কিন্তু আপনার সাথে তাদের গল্পগুলো শেয়ার করবে না। এভাবে আমি ছবি তোলার পাশাপাশি সেই মানুষগুলোর জীবনের গল্পগুলোকে সবার সামনে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি। আমাকে অনেক কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া অনেক ছাত্র জানিয়েছিল, ছবির পেছনের এমন অনেক গল্পই তাদের অনুপ্রাণিত করেছে, জীবন পরিবর্তন করতে সাহায্য করেছে।


আপনার কাছে “Do more” মানে কি?
জিএমবি আকাশঃ আমি শুধু ফটোগ্রাফার না আমি একজন মানুষও।  ফটোগ্রাফি থেকে অনেক কিছুও পেয়েছি, অনেক দেশ ট্রাভেলিং করেছি, খ্যাতি পেয়েছি, এওয়ার্ড কিংবা এসাইনমেন্ট থেকে টাকা পাচ্ছি। তবে, যে মানুষগুলোর ছবি তুলেছি, যাদের সাথে আমার অনেক নিবিড় সম্পর্ক হয়েছে তারা কি পাচ্ছে ? এই চিন্তা থেকে গত ১০ বছর ধরে চেষ্টা করে যাচ্ছি তাদের জন্য কিছু করার। তাদের আর্থিকভাবে সচ্ছল করার জন্য উপায় খুজেছি, তাদের এমন কোন ব্যবসায় জড়িত করা যায় কিনা যেখান থেকে প্রতিনিয়ত কিছু টাকা আয় আসবে তা নিয়ে রিসার্চ করেছি। এভাবে আমার আয়ের একটা অংশ দিয়ে এই পর্যন্ত ২৪ টা ফ্যামিলিকে বিভিন্ন ব্যবসা গিফট করেছি। যা দিয়ে আজ তারা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে, এটাই আমার কাছে “Do More”  


বাংলাদেশের মোবাইল ইন্টারনেট সম্পর্কে যদি একটু বলতেন, এর গুরুত্ত কতখানি?     
জিএমবি আকাশঃ আমি আমার ছবি দিয়ে যদি গ্যালারিতে একটা প্রদর্শনীর আয়োজন করি তাহলে এক সপ্তাহে হয়ত ৫ হাজারের মত মানুষ হবে। কিন্তু ইন্টারনেটের কল্যাণে এখন আমি একটা ছবি আপলোড করলে ১ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ২০ হাজার মানুষ লাইক করছে, প্রায় ৯০ হাজারের মত মানুষের কাছে ছবিটা পৌঁছে যাচ্ছে। খুব সহজেই অনেক বেশি মানুষ আমার ছবি দেখতে পারছে যেটা আমি খুব পসিটিভলি ব্যবহার করতে পারি। এছাড়া অনেক সময় এমন অনেক জায়গা ট্র্যাভেল করছি যেখানে ক্যামেরা নেওয়া সম্ভব না সেখানে আমি মোবাইল ফোন দিয়ে ছবি তুলে পরে তা আপলোড দিচ্ছি।


 অপেরা মিনি ব্রাউজার সম্পর্কে আপনার মতামত কি?
জিএমবি আকাশঃ আমার ক্ষেত্রে যেটা হয় আমি প্রচুর ট্র্যাভেল করি, সেক্ষেত্রে অপেরা মিনি দিয়ে ব্রাউজ করাটা আমার জন্য খুব সহজ। কারণ, অপেরাতে খুব সহজেই যেকোনো পেইজ,সাইট লোড হয়ে যায়, আর সবচেয়ে বড় ব্যাপার এটি ডাটা সাশ্রয়ী। অনেক তরুণ আছে যারা সীমিত খরচে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে চায়, তাদের জন্য অপেরা মিনি বেশ কার্যকর একটি ব্রাউজার।

বিস্তারিত জানতে আপনি অপেরা বাংলাদেশ ফেসবুক পেজে দেখতে পারেন তার লাইভ আড্ডার ভিডিওটি।

They say, it’s not about ideas but shaping those ideas into reality that helps in bringing about a change in the society! Keeping this message in mind, we recently invited renowned photographer GMB Akash for a wonderful chat to know what drives him to do more.

The captions of your photographs are always inspiring. How do you come up with these captions?
GMB Akash: I have been doing photography since the last 20 years. I have always been interested in human portraits. I believe that every person has a story to tell. These stories are often very moving and has inspired me tremendously. I have been collecting these stories and sharing them on my Facebook page for the past few years. My followers often message me saying that these stories have changed their lives and the way they view people. It is actually very inspiring how these people never give up despite their difficult circumstances. For me, it is these stories that are more valuable than the pictures. If you take time to know someone, treat them with the respect they deserve and make them feel that you genuinely care about them, they will willingly share their stories with you.

What was your journey like? From being a student from Mymensingh to a renowned photographer now?
GMB Akash: Actually, my father used to be a government official. Because of his job, we had to travel a lot and visited many cities. Hence, I eventually developed an interest in travelling. I am a dedicated traveler. Whenever I get money, I think of a destination and set off to visit the place. I don’t do this merely for the sake of taking pictures. I love meeting the people of different areas and learn about their experiences and lifestyle. I feel very lucky that I’m a photographer. If it wasn’t for photography, I may have never met so many people and explored so many places. I feel a responsibility to share these stories with the people who are unable to travel because of their job or lifestyle.

What do you have to say about the importance of mobile internet?
GMB Akash: I think internet is an important tool. It is because of the internet that 20,000 people can see and like a picture I posted an hour ago. Whereas if the same picture was presented in an art gallery instead, it would have been viewed by about 5,000 people over a course of several days. It is much easier for me to take pictures with my phone and instantly share them. Internet definitely has brought a lot of positive impact.

What according to you is “Do More?”
GMB Akash: For the last 10 years, I have been trying to give back to the people I photograph. So far, I have helped 24 families to establish their own business. We did a market research and found out what is suitable for them. We set up a business for them and eventually handed it over to them as a gift. Whenever I take photographs, it benefits me and not the people I capture in these images. That is when I decided that they too should get something out of this. No matter what our situation is, we should always try to help the people around us and do more for them. I always carry pencils, erasers and notebooks so that I can give them to children who need them. We have provided 500 slippers for street children. We should always be positive and try to inspire the people around us to do more.

Have you ever used the Opera Mini Browser? Do you think it is a browser that enables you to do more?
GMB Akash: I actually use Opera Mini browser. It helps me to browse very easily while travelling. Compared to other browsers, Opera Mini browser is quite fast and uses very less data. This is quite useful for the younger generation as they are always mindful about how much money they are spending on Internet data.

To watch the whole interview, don’t forget to tune in to Opera(BD) Facebook page.

 

ব্লগটি লিখেছেন

সৈয়দ মোহাম্মাদ আবু দারদা

10411856_10204532508925918_5674909397745896779_n

 

 

Related Posts

Back to top